নারী সংসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে; কখনও কন্যা, কখনও স্ত্রী। কখনও মা, কখনও শাশুড়ী রূপে। একজন নারীই পারে সংসার ভেঙ্গে দিতে। অনুরূপ একজন নারীর দ্বারাই তৈরী হয় শান্তির নীড় বা সুখী সংসার। পৃথিবী রঙিন হয়ে উঠছে দিনের পর দিন। বাড়ির মধ্যে ভাই, বােন, আব্বা-আম্মা, স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ীর প্রতি নানা কর্তব্য আছে।
যেসব ভুলে নারীরা আজ বাড়ি থেকে বাজারের দিকে পা বাড়িয়েছে প্রগতির নামে। ভুলে গেছে বড়দেরকে মানা, স্বার্থ ত্যাগ করা, পর্দার বিধান মেনে চলা, আল্লাহকে ভয় করা, জাহান্নামকে ভয় করা, জান্নাতের। লাভ করা, স্বামীকে নৈকট্য দেওয়া, স্বামীর আদেশ মেনে চলা, দাম্পত্য জীবনে সঠিক পথ অনুসরণ করা, পরকালের সীমাহীন জীবনকে বিশ্বাস করা, দুনিয়াবী সুখ বর্জন করা, আল্লাহর হুকুম ও নবীর তরীকা মেনে দেওয়া ইত্যাদি।
যেসব নারীরা এইসব ভুলে যায়নি, তারাই ‘আদর্শ নারী। তারাই হবে। ইহকাল ও পরকালের সুখ-ভাগ্যের অধিকারী। আমার মনে হয়, এই সংকটময় পরিস্থিতিতে দিশাহারা নারী সমাজকে সঠিক পথ দেখাতে উপযুক্ত দিশারী হবে আব্দুল হামীদ মাদানী সাহেবের মহামূল্যবান পুস্তক ‘আদর্শ রমণী’। কুরআন ও হাদীসের আলোকে নারী জীবনে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বিষয় গুলো একত্রিত করে উক্ত বইটি সুন্দরভাবে প্রকাশ করা হয়েছে, যা প্রতিটি মুসলিম নারীকে সঠিকভাবে জীবনযাপন করতে ও জান্নাতের পথ দেখাতে সাহায্য করবে। আমি বইটির বহুল প্রচার কামনা করি।