মেডিটেশন বা যোগব্যায়ামের কথা আমরা প্রায় সকলেই জানি। এটাকে সাধারণ একটি চিকিৎসাও ভাবি অনেকেই। মেডিটেশনের বাঙালি প্রতিষ্ঠান ‘কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন’-এর কল্যাণে মেডিটেশনকে অনেকটা ইসলামিক ভাবাও—স্বাভাবিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
‘ইন্টার্ফেইথ’নির্ভর ধর্মচর্চার প্রচারক কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন। এর প্রতিটি স্তরে স্তরে রয়েছে কুফরী বিশ্বাস এবং কুফরিকর্ম। ‘মনোইচ্ছা’কে স্রষ্টা করে নফসের গোলামীই যেখানে মূল উদ্দেশ্য।
মেডিটেশনের ভাষায় মনই সর্বক্ষমতার উৎস। মনের উপর নির্ভর করে যেকোনো রোগ নিরাময় এবং যেকোনো উন্নতি সাধন সম্ভব। ইসলাম অনুযায়ী সবকিছুই ‘তাকদির’-এর উপর নির্ভরশীল। যা একান্তই আল্লাহ তাআলা নির্ধারণ করেছেন।
কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের বিশেষ কর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিশেষ চারটি ধর্মের মূল ধর্মগ্রন্থের অনুবাদ বা বাণীকণিকা প্রকাশ। যেখানে কোরআনুল কারীমও রয়েছে। তবে তাতে রয়েছে বিভিন্ন স্থানের ইচ্ছেমত ব্যাখ্যা এবং শুভঙ্করের ফাঁকি।
সবকিছু মিলিয়ে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন চেয়েছে চারটি ধর্মকে সামনে রেখে নতুন একটি ধর্মের প্রতিষ্ঠা। এই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই তাদের প্রকাশিত ক্যাসেট কিংবা প্রকাশিত বইসমূহে একটি রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। এবং সেটাই ‘কোয়ান্টাম মেথড’।
কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের এমন আরও ভণ্ডামি নিয়ে মাওলানা মুহাম্মাদ আফসারুদ্দিন লিখেছেন ‘কোয়ান্টাম মেথড’ বইটি।