ইলম অর্জনের ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয়ের মাধ্যমে ইখলাছ গঠিত হতে পারে।
প্রথম: আল্লাহর নির্দেশ পালনের জন্যই নিয়্যাত করা। কেননা, আল্লাহ তা’আলা এটারই নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন,
فاعلم أنه لا إله إلا الله واستغفر لذنبك}
জেনে রাখ, নিঃসন্দেহে আল্লাহ ব্যতীত কোন সত্য ইলাহ নেই (সূরা মুহাম্মাদ। ৪৭:১৯)।
আল্লাহ তা’আলা ইলম অর্জনের প্রতি উৎসাহ দিয়েছেন, তার ভালােবাসাকে আবশ্যক করে, সন্তুষ্টি অর্জিত হয় এমন বিষয় পালন করার প্রতি তিনি উৎসাহ ও নির্দেশ দিয়েছেন।
দ্বিতীয়: আল্লাহর শরী’আত আয়ত্ব করার নিয়্যাত করতে হবে। কেননা, শিক্ষা। করা, মুখস্থ করণ অথবা লিখনীর মাধ্যমে আল্লাহর শরী’আত আয়ত্ব করা যায়।
তৃতীয়: শরীআত রক্ষা করা এবং এর প্রতিবন্ধকতা নিরসন করার নিয়্যাত করতে হবে। কেননা, আলিমদের মাধ্যমে যদি শরীআত সংরক্ষণ না ২ কোন প্রতিরক্ষক না থাকতাে তাহলে শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়াহ (রাহি:) সহ অন্যান্য আলিমদেরকে বিদআতীদের বিরূদ্ধে প্রতিরােধ গড়তে দেখা যেত না। আলিমগণ বিদ’আতীদের বিদ’আত বাতিলের বর্ণনা দিয়েছেন। আমরা দেখতে পাই যে, ঐসকল আলিম অনেক কল্যাণ লাভ করেছেন।
চতুর্থ: মুহাম্মাদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর শরী’আত অনুসরণের নিয়্যাত করতে হবে। আর শরী’আত অনুসরণ সম্ভব নয় যতক্ষণ না তা জানা যায়।
পঞ্চম: ইলম অর্জনের ক্ষেত্রে নিজের এবং অন্যের অজ্ঞতা দূর করার নিয়্যাত করতে হবে।
অহীর জ্ঞান অর্জনের গুরুত্ব, পদ্ধতি, দিক নির্দেশনা জানতে কিতাবুল ইলম বইটি পড়ুন।